ঝিনাইদহে বঙ্গবন্ধু অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবলে সেমিফাইনালে পাগলা কানাই ইউপি – BD Sports 24
  • ঝিনাইদহে বঙ্গবন্ধু অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবলে সেমিফাইনালে পাগলা কানাই ইউপি

    September 10th, 2018

    এলিস হক, ঝিনাইদহ হতে

    বিডিস্পোর্টস২৪ ডটকম

    ঝিনাইদহ, ১০ সেপ্টেম্বর: গতকাল রোববার বিকাল সাড়ে ৩টায় ঝিনাইদহ জেলা সদরের স্থানীয় সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় রাউন্ডের ৪র্থ কোয়ার্টার ফাইনালে পাগলা কানাই ইউপি ১-০ গোলে হরিশংকরপুর ইউপিকে হারিয়ে সেমিতে পা রাখে।

    দ্বিতীয়ার্ধের ৩১ মিনিটের সময় পাগলা কানাই ইউপির ১১ নম্বর খেলোয়াড় শামীম জয়সূচক গোলটি করেন। বিরতির আগ পর্যন্ত উভয় দল গোলের মুখ দেখেনি।

    অবশ্য প্রথমার্ধে পাগলা কানাই দল ২টি হাফ চান্স ও ১টি ফুল চান্স পেয়েছিল এবং একই সাথে ৪ বার আক্রমন রচনা করে একটি মাত্র গোল পেয়ে যায়।

    পক্ষান্তরে হরিশংকরপুর ৪টি হাফ চান্স ও ২টি ফুল চান্স পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি। না পারার কারণ হলো পাগলা কানাইয়ের গোলকিপার রাকিবুল ও স্টপার মিল্টন ও প্রিন্সের দৃঢ়তায়। হরিশংকরপুর যে দলটি মাঠে নেমেছিল তা সত্যিই ভালো খেলেছে। কিন্তু ঐ একটি মাত্র গোল খাওয়ার খেসারত দিতে হয়েছে হরিশংকরপুরকে।

    পাগলা কানাইয়ের ১০ নম্বর খেলোয়াড় আলী আক্তার বক্সের মধ্যে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। আলী আক্তারের প্রথমবারের শট হরিশংকরপুরের গোলকিপার হিরন প্রতিহত করেন। ফিরতি বলে আবার বল পেয়ে যান ১১ নম্বর জার্সি শামীম। শামীমের প্লেস শটটি গোললাইনের উপর দাঁড়িয়ে থাকা হরিশংকরপুরের ২ নম্বর জার্সি হৃদয় বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তার পায়ে লেগে যায়। বল ততÿণে গোললাইনের ভেতরে অতিক্রম করে যাওয়ায় রেফারি জামাল হোসেন গোলের সংকেত দিয়ে দেন। ফলে ঐ শামীমের দেয়া গোলে পাগলা কানাই ইউপির সমর্থকরা নাচতে নাচতে মাঠ ত্যাগ করতে দেখা গেছে।

    পাগলা কানাই ইউপি: গোলকিপার রাকিবুল, মিল্টন ২, প্রিন্স ৩, সাকিবুল ৪, মিনাজুল ৫, মাশরাফি বিন অন্তু ৬, আলামিন ৭, এরশাদ মৃধা ৮, আবদুর রহমান ৯, আলী আক্তার ১০ ও শামীম ১১।

    হরিশংকরপুর ইউপি: গোলকিপার হিরন, হৃদয় ২, তানজিদ ৩, রাকিব ৪, মেহেদি ৬, রনি ৭, ইমন ৮, আলামিন ১০ (অধিনায়ক), সাজ্জাদ ১১, ফরহাদ ১৩ ও শিহাব কাজী ১৪।

    হলুদ কার্ড: আবদুর রহমান ৯ (পাগলা কানাই)।

    এদিকে ঘটনাবহুল ৩য় কোয়ার্টার ফাইনাল গান্না ইউপি বনাম সুরাট ইউপির মধ্যকার খেলা অনুষ্ঠিত হলেও স্থগিত ঘোষণা করেছে খেলা পরিচালনা কমিটি। প্রথমার্ধের ২৪ মিনিটের সুরাট ইউপির ৯ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় মুহাইমিন গোল করেন। এই সময়ে রেফারি গোলের বাঁশি বাজান। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই গান্না ইউপির গান্না ইউপির চেয়ারম্যান ‘গোল নয়, হ্যান্ডবল হয়েছে’ এই অভিযোগ জানিয়ে রেফারির দিকে তীর্যক মন্তব্য ছোঁড়েন। তিনি রাগত স্বরে প্রকাশ করে মাঠের ভেতরে প্রবেশ করেন। তার দেখাদেখিতে কোচ-ম্যানেজার তথা অন্যান্য দর্শকরা মাঠে ঢুকে পড়েন এবং তারা রেফারিদের উপর চড়াও হয়। তারা রেফারির উদ্দেশ্যে অসভ্য কটুক্তি মন্তব্য করেন এবং রেফারিদের লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে। রেফারিদের নিরাপত্তার জন্য রেফারিরা মাঠ হতে বের হয়ে আসেন। এই ঘটনার সময়ে ঝিনাইদহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী ইসলামসহ খেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব বিকাশ কুমার ঘোষ, জয়নাল আবেদীনসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    মঞ্চে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সামনে দুই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মধ্যে বাকযুদ্ধ হয়। এক পর্যায়ে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই চেয়ারম্যানদের বাকযুদ্ধ থামানো যাচ্ছিল না। বরং দুই চেয়ারম্যানের মধ্যে হাতাহাতির উপক্রম হয়। পরে পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দফায় দফায় ঝগড়ার পর এক পর্যায়ে খেলা পরিচালনা কমিটি গান্না ইউপি ও সুরাট ইউপি দলের ৩ নম্বর কোয়ার্টার ফাইনাল খেলাটি স্থগিত ঘোষণা করেন।

    ১১ তারিখ মঙ্গলবার পূর্বঘোষিত অনুযায়ী ২টি সেমিফাইনাল খেলা হওয়ার কথা ছিল। তা অনিবার্য কারণবশত খেলা পরিচালনা কমিটিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বুধবার ১২ তারিখে ২টি সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

     

    বিডিস্পোর্টস২৪ ডটকম/বিকে


অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

স্পোর্টস ফ্যাশন


প্রবাসী তারকা

জেলা ক্রীড়া সংস্থা

বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০


ক্রীড়া সাহিত্য

ব্যাডমিন্টন

আরচ্যারি

গল্‌ফ

ভারোত্তোলন

মহিলা ক্রীড়া সংস্থা