টাইগারদের কাছে হোয়াইটওয়াশ জিম্বাবুয়ে – BD Sports 24
  • টাইগারদের কাছে হোয়াইটওয়াশ জিম্বাবুয়ে

    March 6th, 2020

    ক্রীড়া প্রতিবেদক

    বিডিস্পোর্টস২৪ ডটকম

    সিলেট, ৬ মার্চ: তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৬৯ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয়টিতে ৪ রানের জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। আর আজ তৃতীয় ওয়ানডেতে ডি/এল মেথডে জিম্বাবুয়েকে ১২৩ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ৩-০ গোলে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ করলো মাশরাফি বাহিনী। সেইসাথে অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির বিদায়ী ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখলো টাইগাররা।

     

    ৩৪২ রানের বিশাল সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে ৩৭.৩ ওভারে ২১৮ রানে জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে গেলে ১২৩ রানের বড় জয় পায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের পক্ষে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান সিকান্দার রাজা সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন।

     

    এছাড়া মাধিবেরি ৪২, চাকাভবা ৩৪, অধিনায়ক সিন উইলিয়ামসন ৩০, ডোনাল্ড  তিরিপানো ১৫ এবং ব্রেন্ডন টেইরর ১৪ রান করে আউট হন।

     

    বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তরুণ পেসার সাইফ উদ্দিন একাই শিকার করেন ৪ উইকেট। এছাড়া তাইজুল ইসলাম দু’টি এবং অধিনায়ক মাশরাফি, মোস্তাফিজুর রহমান ও আফিফ হোসেন একটি করে উইকেট নেন।

     

    এর আগে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফির বিদায়ী ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনারের জোড়া শতরানের সুবাদে ৪৩ ওভারে ৩ উইকেটে ৩২২ রানের বিশাল স্কোর গড়ে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ফলে ডি/এল মেথডে জিম্বাবুয়ের সামনে জয়ের জন্য দরকার পড়ে ৪৩ ওভারে ৩৪২ রান।

     

    ৩৩.২ ওভার খেলা হওয়ার পর সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মুষলধারে বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল বিনা উইকেটে ১৮২ রান।

     

    বৃষ্টি বন্ধ হলে ২ ঘণ্টা পর খেলা পুনরায় শুরু হয়। আম্পায়াররা ওভার কমিয়ে ৫০ ওভারের পরিবর্তে ৪৩ ওভারে খেলা চালানো সিদ্ধান্ত নেন। এরপর তামিম-লিটন মারমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। উদ্বোধনী জুটিতে তামিম ইকবাল ও লিটন দাস ৪০.৫ ওভার মোকাবেলায় ২৯২ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপ গড়েন।

     

    লিটন দাস এদিন ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতরানের দেখা পান। এই সিরিজে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এছাড়া এদিন তামিম ইকবালের করা ১৫৮ রানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি ভেঙে দেন লিটন দাস। সিকান্দার রাজার সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে ডিপ মিড উইকেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ছক্কায় হাঁকিয়ে ১৬০ রান সংগ্রহের মধ্য দিয়ে তামিম ইকবালের গড়া ১৫৮ রানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের স্কোরকে টপকে যান লিটন দাস।

     

    শেষ অবধি ১৭৬ রানে থামেন লিটন দাস। তার ১৪৩ বলের ইনিংসে ১৬টি চার ও ৮টি ছক্কার মার ছিল।

     

    এরপর ৩১২ রানে মাহমুদুল্লাহ ব্যক্তিগত ৩ রানে এবং ৩২২ রানে আফিফ হোসেন ব্যক্তিগত ৭ রানে আউট হলে ৪৩ ওভার মোকাবেলায় ৩ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩২২ রান। ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল ১২৮ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ১০৯ বলের ইনিংসে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কার মার রয়েছে। এদিন ক্যারিয়ারের ১৩তম শতরানের দেখা পান তামিম ইকবাল।

     

    জিম্বাবুয়ের ডানহাতি পেসার কার্ল মুম্বা একাই তিন উইকেট শিকার করেন।

     

    ম্যাচসেরা হন ওপেনার লিটন কুমার দাস। যৌথভাবে সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস।

     

    বিডিস্পোর্টস২৪ ডটকম/বিকে


অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

স্পোর্টস ফ্যাশন


প্রবাসী তারকা

    No posts here...

জেলা ক্রীড়া সংস্থা

বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


ক্রীড়া সাহিত্য

ব্যাডমিন্টন

আরচ্যারি

গল্‌ফ

ভারোত্তোলন

মহিলা ক্রীড়া সংস্থা

    No posts here...