টাইব্রেকার শেষে স্নাতক খেলোয়াড়দের সাপুড়ে ড্যান্স – BD Sports 24
  • টাইব্রেকার শেষে স্নাতক খেলোয়াড়দের সাপুড়ে ড্যান্স

    October 5th, 2018

    এলিস হক, ঝিনাইদহ হতে

    ক্রীড়া ডেস্ক

    বিডিস্পোর্টস২৪ ডটকম

    ঝিনাইদহ, ৫ অক্টোবর: ঝিনাইদহ সরকারি কেসি কলেজের আয়োজনে আন্তঃবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে স্নাতক পাস বিভাগ ভাগ্যক্রমে টাইব্রেকারে জিতে দ্বিতীয় রাউন্ডে উন্নীত হয়েছে।

    আজ শুক্রবার সকাল সোয়া ৯টায় প্রতিযোগিতার চতুর্থ দিনের প্রথম খেলায় স্নাতক পাস এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ নির্ধারিত সময় গোলশূন্য ড্র হলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নাতক পাস বিভাগ ৪-৩ গোলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগকে হারিয়ে এই কৃতিত্ব দেখায়।

    ২০১১ সালে শুরু হয় আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতা। আর থামছে কই? সাতটা বছর পার করলো। তবুও সাফল্যে সাফল্যে তাদের সমীহ করতে হবে যে বড়!! বলতে গেলে এই স্থানীয় স্টেডিয়াম মাঠে দৃষ্টি কেড়েছেন উভয় দলের খেলোয়াড়দের ক্রীড়া মুন্সিয়ানার ছাপ। কিন্তু দলই গোলমুখ না খোলায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটু হতাশ হয়েছেন। মুষড়ে পড়েন কেউ কেউ। তারা যথেষ্ট আস্থার সাথে পরিচয় দিয়েছেন আক্রমণ রচনায়। ভালো খেলেছেনও। বেশ কয়েকটি গোল করার সুযোগ এসেছিল। সহজ সুযোগ বলতে গেলে দুই দলের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়েরা হাতছাড়া করেন।

    বিশেষ করে স্নাতক পাসের সেন্টার ফরোয়ার্ড ১২ নম্বর জার্সি জুয়েল, স্ট্রাইকার ১০ নম্বর জার্সি রাজন মিয়া ও ফরোয়ার্ড ৯ নম্বর বদলি খেলোয়াড় মিন্টু, রক্ষণভাগে ৩ নম্বর জার্সি জুবায়ের ও ৫ নম্বর স্টপার সানজিৎ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মাঝমাঠের দুইজন ৮ নম্বর জার্সি শাকিল, ৬ নম্বর জার্সি হৃদয় আহমেদ, রক্ষণভাগের ৫ নম্বর জার্সি আকিব ও ৩ নম্বর জার্সি গৌরাঙ্গ বিশ্বাস প্রমুখ মাঠে ক্রীড়া নৈপুণ্যতার পরিচয় দেন। শারদীয় পূজালগ্নে প্রচন্ড গরমে খেলোয়াড়েরা বেশ হাঁপিয়ে পড়েন। মাঠে রীতিমতো পানি খাওয়ার উৎসবে পরিণত হয়।

    স্নাতক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান উভয়ই দফায় দফায় বল নিয়ে অ্যাটাকিং থার্ডে খেলতে গেছেন…যতবার গেছেন তারা…ততবার উভয়পক্ষের গোলকিপার রাজু ও গোলকিপার বিপ্লব দারুণ প্রশ্নাতীত দক্ষতার পরিচয় দেন। তারা বেশ কয়েকবার নিশ্চিত গোল খাওয়া হতে রক্ষা করেন।

    টাইব্রেকার কিকে টসে জয়লাভ করে রাষ্ট্রবিজ্ঞান দল। প্রথমেই পেনাল্টি কিক করতে যান ৫ নম্বর জার্সি আকিব। তিনি সবাইকে হতাশ করে বল যখন বাইরে মারেন (০-০)। এরপর আসেন স্নাতক দলের ৩ নম্বর জার্সি জুবায়ের। সোজা নেটে প্রবেশ করিয়ে দেন গোলকিপার বিপ্লবকে পরা¯Í করেন (০-১)। দ্বিতীয় কিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ১১ নম্বর মুকুল। বল মারেন। সাইড পোস্টে লাগে। নট গোল (০-১)। স্নাতকের ১১ নম্বর মেহেদী বল মারের বারের উপর দিয়ে (০-১)।এই তো বুঝি হারার শংকা জাগে যেকোনো দলেরই। তৃতীয় কিকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ৮ নম্বর শাকিল শট মারেন..গোলকিপার রাজু পরাস্ত (১-১)। সমানে সমান। এবার পালা স্নাতকের। ১২ নম্বর জুয়েল। বারের কোনায় বল আশ্রয় (২-১)। আসেন ১২ নম্বর জার্সি রিফাত। নিখুঁত শট করেন (২-২)। ফের স্কোর লেভেল।

    চতুর্থ কিকে স্নাতকের ১০ নম্বর রাজন আসেন। বল মাঝখানে আর গোলকিপার বিপ্লব বামে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং সহজ গোল (৩-২)। এই কিকেই জয়ের পাল্লাটা নির্ধারিত হয়ে যায় স্নাতকের পক্ষে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের চোখে অন্ধকার।

    যতবার মারবে ততবার স্নাতকের পক্ষে যাবে…এই অবস্থার মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ১৩ নম্বর হযরত কোনো চিন্তা না করে পোস্টে বল মেরেই গোলে পরিণত করান (৩-৩)। জয়ের নিক্তি কিন্তু স্নাতকের কোর্টে। ১৪ নম্বর আশরাফুলের শেষ কিক। দুরু দুরু অবস্থা। গোল দিয়েই ভোঁ দৌড়..সাথে সাথে স্নাতক পাস বিভাগের খেলোয়াড়েরা মুশি সাপুড়ের ব্রেক ড্যান্স ধরিয়ে দেন এবং একে অন্যের সাথে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেন।

    স্নাতক বিভাগ: গোলকিপার রাজু ০০, অভিজিৎ ৪ (জুবায়ের ৩), সানজিৎ ৫, রাসেল ৭, রাজন মিয়া ১০, মেহেদী হাসান ১১ (অধিনায়ক), জুয়েল ১২, হারুন ১৩, আশরাফুল ১৪, আশরাফ ১৫ ও রসুল ১৬।

    রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ: গোলকিপার বিপ্লব ১, আশিক শেখ ২, গৌরাঙ্গ বিশ্বাস ৩, আবদুল্লাহ মারুফ ৪, আকিব ৫, হৃদয় আহমেদ ৬, শাকিল ৮, আরিফুজ্জামান ৯ (অধিনায়ক) (আলামিন ৮), মিনারুল ১০, মুকুল ১১ ও হযরত ১৩।

    রেফারি: শাহ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। সহকারি রেফারি: রবিউল ইসলাম ও জামাল হোসেন। ৪র্থ সহকারি রেফারি: শাহানুর ইসলাম সাগর।

     

    বিডিস্পোর্টস২৪ ডটকম/বিকে


অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

স্পোর্টস ফ্যাশন


প্রবাসী তারকা

জেলা ক্রীড়া সংস্থা

বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  


ক্রীড়া সাহিত্য

ব্যাডমিন্টন

আরচ্যারি

গল্‌ফ

ভারোত্তোলন

মহিলা ক্রীড়া সংস্থা