তামিম-মাহামুদুল্লাহ নৈপুণ্যে টাইগারদের সিরিজ জয় – BD Sports 24
  • তামিম-মাহামুদুল্লাহ নৈপুণ্যে টাইগারদের সিরিজ জয়

    July 28th, 2018

    ক্রীড়া ডেস্ক

    বিডিস্পোর্টস২৪ ডটকম

    বাসেটেরে, ২৯ জুলাই: ওপেনার তামিম ইকবাল এবং মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মাহামুদুল্লাহ রিয়াদের অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচটি ১৮ রানে জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। এতে ২-১ সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো টাইগাররা।

    এর ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়ের কৃতিত্ব দেখালো মাশরাফি বাহিনী। সেইসাথে ৯ বছর পর অ্যাওয়ে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ।

    প্রথম ম্যাচে ৪৮ রানে জিতে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে ছিলো বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ৩ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ। এরপর গতকাল তৃতীয় ওয়ানডেতে ক্যারিবীয়দের ১৮ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ নিজেদের করে নেয় লাল-সবুজ পতাকাধারীরা।

    বাংলাদেশের করা ৬ উইকেটে ৩০১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস ৬ উইকেটে ২৮৩ রানে থামলে ১৮ রানের স্বস্তির জয় পায় বাংলাদেশ।

    ওপেনার ক্রিস গেইল ৬৬ বলে ৬টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে ৭৩ রান করে আউট হন। ক্যারিয়ারের ৪৯তম ফিফটির দেখা পান গেইল। সর্বোচ্চ ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন রভম্যান পাওয়েল। এটি তার দ্বিতীয় ওয়ানডে অর্ধশতক। তার ৪১ বলের ইনিংসে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কার মার রয়েছে।

    এছাড়া সাইহোপ ষষ্ঠ অর্ধশতকের সাহায্যে ৬৪ রান করে আউট হন। গত ম্যাচে সেঞ্চুরি করা সিমরন হেটমায়ার করেন ৩০ রান। অপর ওপেনার এভিন লুইস অপয়া ১৩তে বিদায় নেন। ৫ রানে অপরাজিত থাকেন নার্স।

    বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা নেন ২ উইকেট। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন একটি করে উইকেট নেন।

    এর আগে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের শতরান এবং মাহামুদুল্লা রিয়াদের ফিফটি সেই সাথে অধিনায়ক মাশরাফির ২৫ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো গতির ইনিংসের কল্যাণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে ৩০১ রানের বড় স্কোর গড়েছে টাইগাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড এটি।

    তামিম ইকবাল ক্যারিয়ারের ১১তম শতরানের দেখা পান আজ। ৫ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মাহামুদুল্লাহ ক্যারিয়ারের ১৯তম অর্ধশত রান পূর্ণ করে অপরাজিত থাকেন।

    উদ্বোধনী জুটিতে তামিম-এনামুল করেন ৩৫ রান। এনামুল ১০ রানের বেশি এগুতে পারেননি। দ্বিতীয় উইকেটে তামিম-সাকিব ৮১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে বিচ্ছিন্ন হন। সাকিব ৩৭ রান করে বিদায় নিলে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে বাংলাদেশের।

    তৃতীয় উইকেটে তামিম-মুশফিক ৩৬ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। মুশফিকুর রহীম করেন ১২ রান। চতুর্থ উইকেটে তামিম-মাহামুদুল্লাহ ৪৮ রানের আরও একটি পার্টনারশিপ গড়েন। তামিম ইকবাল ১২৪ বল মোকাবেলায় ৭টি চার ও দুটি ছক্কার সাহায্যে ১০৩ রান করে আউট হন। চলতি সিরিজে দুটি শতরান এবং একটি ফিফটি করেন তামিম। সিরিজের তিন ম্যাচে তার মোট রান ২৮৭।

    পঞ্চম উইকেটে মাহামুদুল্লাহ-মাশরাফি ৭ ওভার মোকাবেলায় ৫৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। অধিনায়ক মাশরাফি ২৫ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৬ রান করে আউট হন।

    ষষ্ঠ উইকেটে মাহামুদুল্লাহ-সাব্বির ১৭ বলে ২৬ রানের জুটি গড়েন। সাব্বির ৯ বলে ১২ রান করে আউট হন। দলীয় রান তখন ২৭৯। শেষ ৮ বলে মাহামুদুল্লাহ ও মোসাদ্দেক ২২ রান যোগ করে অবিচ্ছিন্ন থাকলে নির্ধারিত ৫০ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩০১ রান।

    মাহামুদুল্লাহ ক্যারিয়ারের ১৯তম ফিফটির সাহায্যে ৪৯ বলে ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ৫টি চার ও তিনটি ছক্কার মার ছিল। মোসাদ্দেক ৫ বলে একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ১১ রানে অপরাজিত থাকেন।

    ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে জেসন হোল্ডার ও অ্যাসলে নার্স দুটি করে এবং কটরেল ও দেবেন্দ্র বিশু একটি করে উইকেট নেন।

    ম্যাচসেরা ও সিরিজ সেরার পুরস্কার দুটিই নিজের দখলে নেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল।

     

    বিডিস্পোর্টস২৪ ডটকম/বিকে


অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

স্পোর্টস ফ্যাশন


প্রবাসী তারকা

জেলা ক্রীড়া সংস্থা

বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  


ক্রীড়া সাহিত্য

ব্যাডমিন্টন

আরচ্যারি

গল্‌ফ

ভারোত্তোলন

মহিলা ক্রীড়া সংস্থা