২০২০ সাল ঘিরে পাকিস্তানের স্বপ্ন – BD Sports 24
  • ২০২০ সাল ঘিরে পাকিস্তানের স্বপ্ন

    April 9th, 2018

    ক্রীড়া ডেস্ক, বিডিস্পোর্টস২৪  ডটকম
    করাচি, ৯ এপ্রিল, ২০১৮ : পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ২০২০ সালকে ঘিরে ঘরের মাঠে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ আয়োজনের স্বপ্ন দেখছে।

    গত তিন বছরে দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্তিতির উন্নতি হওয়ায় বোর্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরিয়ে আনতে ‘পর্যায়ক্রমে পদক্ষেপ’ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পিসিবি চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি।

    তিনি বলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ও গত মাসে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) সফলভাবে আয়োজনের পর অামরা আশাবাদী ভবিষ্যতে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলো পাকিস্তান সফরে আসবে। যদিও ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলঙ্কা দল বহনকারী বাসে জঙ্গী হামলার পর থেকে পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিষিদ্ধ হয়ে পড়ে। যে কারণে নিজেদের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতে আয়োজন করতে বাধ্য হচ্ছে পাকিস্তান।

    পিসিবি চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি বলেন, ‘আগামী বছর পিএসএলে আরো বেশি ম্যাচ আয়োজন করে শীর্ষ ক্রিকেটীয় দেশগুলোর প্রায় সব ক্রিকেটারদের পাকিস্তানে খেলানোর চেস্টা করবো। এরপর ২০২০ সালে তাদের দেশের বোর্ডগুলোকে পাকিস্তানে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে জাতীয় দল পাঠাতে রাজি করাতে পারবো।’

    যদিও ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কা পাকিস্তান সফরে রাজি হয়েছিল। কিন্ত করাচিতে নৌবাহিনীর একটি ঘাটিতে জঙ্গী হামলার পর সে আশা ভেস্তে যায়। ২০১৪ সালে আয়ারল্যান্ড সম্মত হলেও করাচি বিমানবন্দরে জঙ্গী হামলার পর আইরিশরা সফর বাতিল করে।
    শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ প্রাথমিকভাবে রাজি হওয়ার পরও নিরাপত্তার কারণে ২০১২ সালে দুইবার পাকিস্তান সফরে অস্বীকৃতি জানায়।

    তবে প্রথম আন্তর্জাতিক দল হিসেবে দুর্বল জিম্বাবুয়ে সফরে আসলে ২০১৫ সালে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীত বাজে। ছয় বছর পর নিজ মাঠের আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখতে দর্শকদের কড়া নিরাত্তার মধ্যদিয়ে মাঠে আসতে হয়েছিল।

    এদিকে সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া ইমরান খান বলেন, ‘রাস্তা-ঘাট, দোকানপাট বন্ধ করে ম্যাচ আয়োজনে বিদেশে কোন ধরনের শান্তির বাণী পৌঁছাবে?’ ২০১৭ সালে পিএসএলে ইংল্যান্ডের কেভিন পিটারসেন, অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়াটসন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার রিলি রোসৌর মতো কিছু তারকা ফাইনাল খেলতে পাকিস্তান সফরে আসেননি।

    তবে দুইবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ড্যারেন সামির মতো খেলোয়াড়রা এসেছেন এবং পাকিস্তানীদের মন জয় করেছেন। যা বিশ্ব একাদশের এবং এরপর গতবছর অক্টোবরে শ্রীলঙ্কার দলের পাকিস্তান সফরকে তরান্বিত করেছিল।
    পাকিস্তানে জনপ্রিয় সামি এ বছর লাহোরে পিএসএল প্লে-অফ ম্যাচ খেলেছেন এবং করাচিতে ফাইনাল খেলেছেন। তার উপস্থিতিতে উদ্দীপ্ত হয়ে তার সাবেক সতীর্থ আন্দ্রে ফ্লেচার, স্যামুয়েল বদ্রি এবং চাঁদউইক ওয়ালটনরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে পাকিস্তান সফর করেছেন।

    নিরাপত্তা নিয়ে এখনো সমস্যা থাকায় প্রত্যেক সফরে বিদেশী দলগুলোকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা দেয়া হয়ে থাকে। যে কারণে এখানকার সার্বিক অবস্থা দেখভাল করার জন্য আইসিসি একটি বিদেশী নিরাপত্তা কোম্পানী নিয়োগ দিয়েছে।
    শেঠি বলেন, ‘লাহোর ও করাচির ম্যাচগুলোর জন্য সেখানকার জনগনকে বেশ ভুগতে হয়েছে আমরা সেটা অনুধাবন করছি। তবে আবার এটা পাকিস্তানের জন্য অনেক বড় কিছু।’

    পিসিবি এখন আরো বড় দলকে সফরে আনতে চায়। আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বড় দলের পাকিস্তান সফরে আশাবাদী পাকিস্তান। ইংল্যান্ড দলকে সফরের আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    বিডিস্পোর্টস২৪ডটকম/এমএ


অতিথি কলাম

সাক্ষাৎকার

স্পোর্টস ফ্যাশন


প্রবাসী তারকা

জেলা ক্রীড়া সংস্থা

বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০